প্রযুক্তি বার্তা - Projukti Barta

  • প্রথম পাতা
  • খবর
  • টিউটোরিয়াল
    • এসইও
  • রিভিউ
You are here: Home / মোবাইল / Samsung Galaxy A37 5G রিভিউ

Samsung Galaxy A37 5G রিভিউ

Leave a Comment

স্যামসাংয়ের মিড-রেঞ্জ A-সিরিজের নতুন সদস্য Samsung Galaxy A37 5G বাজারে এসেছে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি, বাংলাদেশে মিলছে মে মাস থেকে। এক কথায় বললে, এটি স্যামসাংয়ের চেনা ছকেই তৈরি একটা নিরাপদ, পরিপক্ব ফোন-সুন্দর ডিসপ্লে, মজবুত বিল্ড, পরিষ্কার সফটওয়্যার আর দীর্ঘমেয়াদি আপডেটের নিশ্চয়তা। কিন্তু আসল প্রশ্নটা স্পেসিফিকেশন নিয়ে নয়, দাম নিয়ে।

কারণ বাংলাদেশে এই ফোনের দুটি দাম চলছে-অফিসিয়াল প্রায় ৫৫ হাজার টাকা, আর গ্রে-মার্কেটে ৪০ হাজারের ঘরে। এই দামে A37 আপনাকে কী দিচ্ছে, কোথায় এগিয়ে, কোথায় পিছিয়ে, আর একই টাকায় বাজারে আর কী পাওয়া যায়-এই রিভিউতে সেটাই সৎভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, কোনো অতিরঞ্জন ছাড়া।

এক নজরে দাম ও স্পেসিফিকেশন

শুরুতেই দামের ব্যাপারটা পরিষ্কার করা দরকার, কারণ এখানে বিভ্রান্তি বেশি।

  • অফিসিয়াল দাম: ৮/১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের অফিসিয়াল দাম প্রায় ৳৫৪,৯৯৯। উঁচু ভ্যারিয়েন্ট (২৫৬ জিবি/১২ জিবি) আরও বেশি-কিছু সূত্রে ৳৬৭ হাজারের কাছাকাছি বলা হয়েছে।
  • আনঅফিসিয়াল/গ্রে-মার্কেট দাম: একই ফোন আনঅফিসিয়ালি শুরু হচ্ছে প্রায় ৳৪০,০০০–৪৩,০০০ থেকে।

(দাম দ্রুত বদলায় এবং দোকান, ভ্যারিয়েন্ট ও অফিসিয়াল/আনঅফিসিয়াল ভেদে ভিন্ন হয়। কেনার আগে সর্বশেষ দর যাচাই করে নেবেন।)

মূল স্পেসিফিকেশন এক নজরে:

বিষয়বিবরণ
ডিসপ্লে৬.৭” সুপার অ্যামোলেড, FHD+ (২৩৪০×১০৮০), ১২০Hz
প্রসেসরExynos 1480 (৪ ন্যানোমিটার)
র‍্যাম/স্টোরেজ৬/৮/১২ জিবি র‍্যাম, ১২৮/২৫৬ জিবি (কার্ড স্লট নেই)
রিয়ার ক্যামেরা৫০MP (OIS) + ৮MP আল্ট্রাওয়াইড + ৫MP ম্যাক্রো
ফ্রন্ট ক্যামেরা১২MP
ভিডিও4K@30fps পর্যন্ত
ব্যাটারি৫০০০ mAh, ৪৫W ফাস্ট চার্জিং (ওয়্যারলেস নেই)
বিল্ডপ্লাস্টিক ফ্রেম, গ্লাস ব্যাক, Gorilla Glass Victus+, IP68
সফটওয়্যারAndroid 16, One UI 8.5 (৬ বছর OS আপডেট)
আরও5G, Wi-Fi 6, NFC, ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ডুয়াল সিম + eSIM

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি

হাতে নিলে A37-কে দামি মনে হয়, আর এটাই স্যামসাংয়ের বরাবরের শক্তি। ওজন প্রায় ১৯৬ গ্রাম, পুরুত্ব ৭.৪ মিলিমিটার-পাতলা ও ধরতে আরামদায়ক। সামনে-পেছনে গ্লাস, ফ্রেম প্লাস্টিক, তবে ফিনিশিং পরিচ্ছন্ন।

এবারের সবচেয়ে অর্থপূর্ণ আপগ্রেডটা এখানেই লুকিয়ে-A36 ও A35-এ ছিল IP67, কিন্তু A37-এ এসেছে IP68 রেটিং, অর্থাৎ ধুলা ও পানিতে আরও ভালো সুরক্ষা। সামনের কাচ Corning Gorilla Glass Victus+, যা এই দামে ভালো টেকসইতা দেয়। বাংলাদেশে সাধারণত Awesome Charcoal, Green, Purple ও White-এই রংগুলো পাওয়া যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বিল্ড কোয়ালিটিতে A37 এই সেগমেন্টের অনেক প্রতিযোগীর চেয়ে এগিয়ে।

ডিসপ্লে

ডিসপ্লে A37-এর অন্যতম সেরা দিক। ৬.৭ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড প্যানেল, FHD+ রেজল্যুশন আর ১২০Hz রিফ্রেশ রেট-স্ক্রল, ভিডিও, গেমিং সবকিছুতেই নড়াচড়া মসৃণ লাগে। অ্যামোলেড হওয়ায় রং গাঢ়, কালো একদম নিখুঁত, আর কনট্রাস্ট চমৎকার।

পিক ব্রাইটনেস নিয়ে অবশ্য সূত্রভেদে ভিন্ন তথ্য আছে-কোথাও ১২০০ নিট, কোথাও ১৯০০ নিট পর্যন্ত বলা হয়েছে। সংখ্যাটা যা-ই হোক, বাস্তবে ডিসপ্লে যথেষ্ট উজ্জ্বল; কড়া রোদেও পর্দা পড়তে সমস্যা হয় না। ইউটিউব দেখা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের অভিজ্ঞতা এই দামে বেশ প্রিমিয়াম।

আরো পড়ুন মোবাইল ডিসপ্লের পরিচিতি

পারফরম্যান্স – Exynos 1480

এখানে একটু সৎ হওয়া দরকার। A37 চলে Exynos 1480 চিপে, যা ৪ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির এবং A36-এর Snapdragon 6 Gen 3-এর তুলনায় সামান্য উন্নত ও গেমিংয়ে কিছুটা ভালো। কিন্তু এই চিপ নতুন নয়-এটি আগে Galaxy A55-এ ব্যবহৃত হয়েছিল, আর ২০২৬ সালের বিচারে এটি একটি মাঝারি মানের প্রসেসর।

দৈনন্দিন ব্যবহারে-হোয়াটসঅ্যাপ, ব্রাউজিং, ইউটিউব, একাধিক অ্যাপে সুইচিং-A37 স্বচ্ছন্দ ও স্থিতিশীল। AnTuTu স্কোরও ৭ লাখের ঘরে, যা মিড-রেঞ্জের জন্য যথেষ্ট। তবে এটা কোনো গেমিং ফোন নয়। PUBG বা eFootball মাঝারি সেটিংসে ভালোই চলবে, কিন্তু সর্বোচ্চ গ্রাফিকসে দীর্ঘ সেশনে ফ্রেম-ড্রপ বা কিছুটা গরম হওয়া অস্বাভাবিক নয়। যাঁরা ভারী গেমার, তাঁদের জন্য এই দামে আরও শক্তিশালী চিপের ফোন আছে-সেটা পরের অংশে বলছি।

ক্যামেরা

পেছনে তিনটি ক্যামেরা-৫০MP প্রধান সেন্সর (OIS সহ), ৮MP আল্ট্রাওয়াইড আর ৫MP ম্যাক্রো; সামনে ১২MP সেলফি ক্যামেরা। হার্ডওয়্যার মোটামুটি A36-এর মতোই, তবে স্যামসাং বলছে এবার উন্নত ইমেজ সিগন্যাল প্রসেসর (ISP) ব্যবহার করা হয়েছে, যা কম আলোতে নয়েজ কমায় ও রং আরও নিখুঁত করে।

বাস্তবে দিনের আলোয় প্রধান ক্যামেরার ছবি শার্প, রং প্রাণবন্ত, আর OIS থাকায় ভিডিও ও কম আলোর ছবি তুলনামূলক স্থির আসে। কম আলোতেও Nightography মোডে ব্যবহারযোগ্য ছবি পাওয়া যায়, যদিও ফ্ল্যাগশিপের মতো নয়। আল্ট্রাওয়াইড ঠিকঠাক, তবে প্রধান সেন্সরের মতো ধারালো নয়; আর ৫MP ম্যাক্রো লেন্সটা-সত্যি বলতে-বেশিরভাগ ফোনের মতোই নামমাত্র, খুব একটা কাজে লাগে না। ভিডিও 4K@30fps পর্যন্ত রেকর্ড করা যায়। সব মিলিয়ে ক্যামেরা এই দামের জন্য নির্ভরযোগ্য, নজরকাড়া না হলেও হতাশ করে না।

ব্যাটারি ও চার্জিং

ব্যাটারি A37-এর একটা নির্ভরযোগ্য দিক। ৫০০০ mAh ব্যাটারি সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসে পুরো দিন চলে; মাঝারি ব্যবহারে দেড় দিনও সম্ভব। ৪ ন্যানোমিটার চিপের দক্ষতা এখানে সাহায্য করে।

চার্জিংয়ে আছে ৪৫W ফাস্ট চার্জিং (Super Fast Charging 2.0)-মিড-রেঞ্জ হিসেবে ভালো, তবে একটা শর্ত আছে: ৪৫W চার্জার সাধারণত আলাদা কিনতে হয়, বক্সে না-ও থাকতে পারে। ওয়্যারলেস চার্জিং এই ফোনে নেই, যা এই দামে অস্বাভাবিক নয়।

সফটওয়্যার ও আপডেট

এই জায়গায় A37 তার প্রতিযোগীদের প্রায় সবাইকে পেছনে ফেলে দেয়। ফোনটি চলে Android 16-এর ওপর One UI 8.5-এ, যা পরিষ্কার, দ্রুত ও ফিচারে ভরপুর।

সবচেয়ে বড় কথা-স্যামসাং এতে দিচ্ছে ৬টি বড় Android আপডেট এবং ৬ বছরের সিকিউরিটি আপডেট (২০৩২ সাল পর্যন্ত)। এই দামের ফোনে এত দীর্ঘ আপডেট-নিশ্চয়তা বিরল, আর এর মানে ফোনটা অনেক বছর নিরাপদ ও হালনাগাদ থাকবে-দীর্ঘমেয়াদে এটা টাকার বড় সাশ্রয়। সঙ্গে আছে Galaxy AI-এর কিছু ফিচার, যেমন Circle to Search, Object Eraser আর ভয়েস ট্রান্সক্রিপশন-যদিও A57-এর সব এআই ফিচার এতে নেই।

A36 থেকে কী বদলালো

যাঁরা A36 থেকে আপগ্রেড ভাবছেন, তাঁদের জন্য সৎ কথাটা হলো-পরিবর্তন খুব বেশি নয়। বাস্তবে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য মূলত তিনটি: প্রসেসর বদলে Exynos 1480 হয়েছে (আগে ছিল Snapdragon 6 Gen 3), IP67 থেকে IP68 রেটিংয়ে উন্নতি, আর কিছুটা উন্নত ISP। ডিসপ্লে, ক্যামেরা হার্ডওয়্যার, ব্যাটারি ও ডিজাইন মোটামুটি আগের মতোই।

তাই A36 ব্যবহারকারীদের জন্য A37-এ আপগ্রেড করার খুব জোরালো কারণ নেই। কিন্তু যাঁরা এর চেয়ে পুরোনো ফোন (A32/A33/A52 ইত্যাদি) থেকে আসছেন, তাঁদের জন্য এটি একটা বড় লাফ।

সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধা:

  • চমৎকার ৬.৭” সুপার অ্যামোলেড ১২০Hz ডিসপ্লে
  • প্রিমিয়াম বিল্ড-Gorilla Glass Victus+ ও উন্নত IP68 রেটিং
  • ইন্ডাস্ট্রি-সেরা ৬ বছরের OS ও সিকিউরিটি আপডেট
  • পরিষ্কার, স্মুথ One UI 8.5 (Android 16)
  • OIS সহ নির্ভরযোগ্য ৫০MP ক্যামেরা
  • ভালো ব্যাটারি লাইফ ও ৪৫W চার্জিং

অসুবিধা:

  • Exynos 1480 কেবল মাঝারি মানের-ভারী গেমিংয়ের জন্য আদর্শ নয়
  • মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট নেই
  • ওয়্যারলেস চার্জিং নেই
  • অফিসিয়াল দাম (~৳৫৫,০০০) এই স্পেকের তুলনায় বেশি, প্রতিযোগিতা কড়া
  • A36 থেকে খুব সামান্যই উন্নতি

দাম কি যৌক্তিক – অফিসিয়াল বনাম আনঅফিসিয়াল

এটাই এই রিভিউর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, বিশেষ করে বাংলাদেশি ক্রেতার জন্য।

অফিসিয়াল ৳৫৪,৯৯৯ দামে A37 আপনাকে যা দিচ্ছে, তা মূলত স্পেক নয়-অভিজ্ঞতা। চমৎকার ডিসপ্লে, মজবুত বিল্ড, ৬ বছরের আপডেট, দেশজুড়ে স্যামসাংয়ের অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক, আর ভালো রিসেল ভ্যালু। যাঁরা এক ফোন অনেক বছর নিশ্চিন্তে চালাতে চান এবং অফিসিয়াল সাপোর্টকে গুরুত্ব দেন, তাঁদের জন্য এই দাম অযৌক্তিক নয়।

তবে খোলাখুলি বললে, শুধু কাগজের স্পেক ধরলে এই দামে বেশি পারফরম্যান্স ও ফিচার অন্য ব্র্যান্ডে পাওয়া যায়-শাওমি/পোকো, মটোরোলা, রিয়েলমি কিংবা নাথিং-এর কিছু ফোন এই বাজেটে আরও শক্তিশালী চিপ বা দ্রুত চার্জিং দেয়। তাই স্পেক-শিকারিদের কাছে A37-কে “সেফ কিন্তু একটু বেশি দামি” মনে হতে পারে।

আনঅফিসিয়াল ৳৪০,০০০–৪৩,০০০ দামে সমীকরণটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে যায়-কারণ তখন প্রায় ১২-১৫ হাজার টাকা কমে একই ফোন। তবে এখানে ট্রেড-অফ আছে: গ্রে-মার্কেট ফোনে সাধারণত অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকে না, বড়জোর দোকানের সীমিত সার্ভিস ওয়ারেন্টি মেলে। কিছু নষ্ট হলে স্যামসাংয়ের অফিসিয়াল সেন্টারে সমস্যা হতে পারে। তাই সাশ্রয় বনাম নিশ্চয়তা-এই দুটোর মধ্যে নিজের অগ্রাধিকার বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।

কার জন্য এই ফোন, কার জন্য নয়

কিনতে পারেন যদি-আপনি একটা নির্ভরযোগ্য অল-রাউন্ডার চান যেটা বহু বছর আপডেট পাবে; সুন্দর ডিসপ্লে, মজবুত বিল্ড আর পরিচ্ছন্ন সফটওয়্যারকে বেশি গুরুত্ব দেন; এবং অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি ও রিসেল ভ্যালুকে মূল্য দেন।

অন্য দিকে তাকান যদি-আপনি ভারী গেমার হন বা এই বাজেটে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স খোঁজেন; মাইক্রোএসডি বা ওয়্যারলেস চার্জিং আপনার দরকার; কিংবা একই টাকায় বেশি “স্পেক” চান-তাহলে শাওমি/পোকো, মটোরোলা বা রিয়েলমির প্রতিযোগী মডেলগুলো তুলনা করে দেখুন best phones under 30000 bd

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

বাংলাদেশে Samsung Galaxy A37 5G-এর দাম কত?

অফিসিয়াল দাম ৮/১২৮ জিবির জন্য প্রায় ৳৫৪,৯৯৯; উঁচু ভ্যারিয়েন্ট আরও বেশি। আনঅফিসিয়ালি শুরু হয় প্রায় ৳৪০,০০০–৪৩,০০০ থেকে। দাম দোকান ও ভ্যারিয়েন্টভেদে বদলায়।

A37 কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?

হালকা থেকে মাঝারি গেমিংয়ের জন্য ঠিক আছে, তবে Exynos 1480 মাঝারি মানের চিপ-সর্বোচ্চ গ্রাফিকসে ভারী গেমিংয়ের জন্য আদর্শ নয়।

A37-এ কি ওয়্যারলেস চার্জিং আছে?

নেই। তবে ৪৫W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং আছে (চার্জার সাধারণত আলাদা কিনতে হয়)।

A36 থেকে A37-এ আপগ্রেড করা কি উচিত?

খুব প্রয়োজন নেই। মূল পার্থক্য শুধু প্রসেসর, IP68 রেটিং ও সামান্য উন্নত ISP; বাকি অনেক কিছু আগের মতোই।

কতদিন আপডেট পাওয়া যাবে?

৬টি বড় Android আপডেট ও ৬ বছরের সিকিউরিটি আপডেট, অর্থাৎ ২০৩২ সাল পর্যন্ত।

ক্যামেরা কেমন?

দিনের আলোয় প্রধান ক্যামেরা শার্প ও নির্ভরযোগ্য, OIS থাকায় ভিডিও স্থির; কম আলোতেও ব্যবহারযোগ্য, তবে ফ্ল্যাগশিপ মানের নয়।

শেষ কথা

Samsung Galaxy A37 5G কোনো চমক দেওয়া ফোন নয়-এটি একটা পরিপক্ব, নির্ভরযোগ্য প্যাকেজ, যেখানে ডিসপ্লে, বিল্ড কোয়ালিটি আর দীর্ঘমেয়াদি সফটওয়্যার সাপোর্ট এর মূল শক্তি। দুর্বলতা বলতে মাঝারি মানের প্রসেসর আর অফিসিয়াল দামে প্রতিযোগিতার তুলনায় একটু বেশি খরচ।

সিদ্ধান্তটা শেষমেশ নেমে আসে আপনার অগ্রাধিকারে। যদি চান একটা ফোন যেটা বছরের পর বছর নিশ্চিন্তে চলবে, দেখতে-ধরতে প্রিমিয়াম আর অফিসিয়াল সাপোর্টে ভরসা রাখা যাবে-A37 আপনাকে হতাশ করবে না। আর যদি একই টাকায় সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স বা স্পেক খোঁজেন, তাহলে কেনার আগে প্রতিযোগী মডেলগুলো একবার মিলিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


সূত্র

  • Samsung অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (Galaxy A37 5G পেজ)
  • GSMArena, Wikipedia – স্পেসিফিকেশন
  • বাংলাদেশের দাম: MobileDokan, Gadget & Gear, TechTunes, Dazzle সহ স্থানীয় রিটেইলার (দাম পরিবর্তনশীল)

নোট: দাম ও প্রাপ্যতা সময়ের সঙ্গে বদলায় এবং দোকানভেদে ভিন্ন হতে পারে। কেনার আগে সর্বশেষ অফিসিয়াল দাম ও ওয়ারেন্টি তথ্য যাচাই করে নিন।

Filed Under: মোবাইল

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

  • এসইও
  • ওয়ার্ডপ্রেস
  • কম্পিউটার
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি
  • গাড়ি
  • নিবন্ধন প্রক্রিয়া
  • ফ্রিল্যান্সিং
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির খবর
  • মোবাইল
  • শিক্ষা
  • সোশ্যাল মিডিয়া
ProjuktiBarta প্রযুক্তি বার্তা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ডিসক্লেইমার
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • যোগাযোগ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Copyright © 2026 Projuktibarta.com